প্রফেসর ইউনূস স্যারের প্রতি আর কোন অভিযোগ নাই!
রাজনৈতিক দলগুলোর এতো অসহযোগিতার পরেও হাসিনার বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। মানে হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেই গেলেন।
পিলখানার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করলেন। আজকে ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারের খুনিদের চিহ্নিত করতেও সক্ষম হচ্ছেন।
ভঙ্গুর একটা দেশের খাদে পড়া ব্যাংকগুলো টেনে তুললেন। এই দেশ সেই দেশে ঘুরে ঘুরে অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিলেন।
দাদাদের সাথে চোখ রাঙিয়ে কথা বললেন। এতো এতো নিষেধাজ্ঞা দিলো, হুমকিধামকি দিলো শত্রুপক্ষ কোন পাত্তাই পেলো না ,উল্টো দাদারা ফেঁসে গেলো।
অস্থিতিশীল একটা দেশকে স্থিতিশীল করলেন।
দেশী -বিদেশি যে কোন ষড়যন্ত্রেকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাইলেন। বন্যা, আগুণ, পাহাড় অস্থিতিশীল করেও ইউনূসের চুলটাও ছিড়তে পারে নাই।
এই চ্যালেঞ্জগুলো নেয়ার মতো লোক বাংলাদেশে ছিলো না।
আগামী ১০০ বছরে এমন যোগ্য লোক আসবে কিনা তাও জানা নাই।
হয়তো নির্বাচন দিয়া তিনি চলে যাবেন, জানিনা নির্বাচিত সরকার পতিত স্বৈরাচার আর দাদাদের নতুন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে টিকে থাকতে পারে কিনা।
তবে কিছু কা*ঙ্গারদের মনে রাখবো।
যারা বলতো, ইউনূস ক্ষমতালোভী!
যারা বিচার,সংস্কারের কাজে বাঁধা দিতো। যারা প্রকৃতপক্ষে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাইতো না।
দেশ ও জাতির মঙ্গলে যে কোন কাজে সমালোচনা করতো।
দেশের মানুষকে ভুলভাল বুঝিয়ে প্রতিবাদী করে তুলতো।
কিন্তু আমরা মানুষ চিনতে ভুল করছি!
কয়েক যুগের পর এই জাতি ,একজন দেশপ্রেমিক, জ্ঞানী মানুষকে পাইলো! যেন কোন মূল্যই দিলো না!
৮৫ বছর বয়সী লোকটা দেশের ক্রান্তিলগ্নে জাতির হাল ধরতে আসছিলো! জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করতে আসছিলো।
কিন্তু ক্ষমতালোভী ,দুর্নীতিবাজরা উনারে কোন কাজই করতে দেয় নাই।
বরং জায়গায় জায়গায় অসহযোগিতা করছে ,শব্দ বো*মা দিয়ে অপমাণ করছে।
যেখানে হাত দিতো, সেখানেই বাঁধা দিছে!
কোন কোন ক্ষমতালোভী ১৫ মিনিটে পতনের হুমকি দিছে। কেউ কেউ আবার হাসিনার সাথে তুলনা করে বলছে ,"ইউনূস পালানোর জায়গা পাবে না"!
এবার বুঝলাম, কোন শক্তির বাঁধার কারণে
বাংলাদেশের ভালো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,গবেষক,বুদ্ধিজীবী,কবি,সৎ অফিসার, দেশপ্রেমিক, শিক্ষক ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা কেন এদেশে থাকে না!
এদেশের রাজনীতিতে কেন মেধাবীরা আসতে চাইতো না। যোগ্য মেধাবী নারীরা কেন রাজনীতিতে আসতে চায় না।
কারণ এ জাতি সম্মানিতদের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে জানে না! এ জাতির মেক্সিমাম মানুষ বিবেকহীন, মূ*র্খ চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা নাই।
এদেশে জ্ঞানীরা হয়তো আর আসার সাহস দেখাবে না। কারণ জ্ঞানের দাম এ জাতি দিতে জানে না।
তবে দুঃখ হয় এ জাতির জন্য ,তাদের ভাগ্য আর পরিবর্তন হবে কিনা জানি না।
আমরা চোখের সামনে ভাই হারাইলাম!
বুলেটের সামনে দাড়াইলাম,
কেন জানেন? দেশের সিস্টেমের পরিবর্তনের আশায় ,দেশের মানুষ যেন মৌলিক অধিকার নিয়া সম্মানের সাথে বাঁচতে পারে।
এদেশের মাটিতে যেন প্রত্যেকটা মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে।
সবাই যেন তাদের অধিকার নিয়ে চলতে পারে,
দুমুঠো ভাত খেয়ে যেন মানুষ বাঁচতে পারে।
কিন্তু অনেক পরিবর্তন হতে পারতো।
যারা পরিবর্তনে বাঁধা দিছে তাদের উপর লানত।
তাদের ঘৃণাভরে স্বরণ করবো!
তবে ইউনূস স্যার আপনার সৎ সাহস আর দেশপ্রেমকে মনে রাখবো!!!

Comments
Post a Comment